ফেকিং পোস্ট ডেস্ক | কলকাতা
রাজ্য জুড়ে ধুমধাম করে শুরু হয়েছে পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ। তবে নিরাপত্তার মূল উপাদান অর্থাৎ রাস্তার অবস্থা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়েই উদযাপন শুরু করেছে প্রশাসন। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বহু বছরের ঐতিহ্য বজায় রাখতে গর্তগুলিকে আপাতত স্পর্শ না করারই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিবহন দফতরের এক ‘অতি বিশ্বস্ত’ সূত্রের দাবি, গর্ত মেরামত করা হলে পথ নিরাপত্তা সপ্তাহের আসল চ্যালেঞ্জটাই নাকি হারিয়ে যাবে। তাই আপাতত চালকদের দক্ষতা পরীক্ষার জন্য গর্তগুলিকে আগের অবস্থাতেই রাখা হয়েছে।
এক আধিকারিক জানান,
“শুধু সোজা রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালালে দক্ষতা বোঝা যায় না। হঠাৎ ব্রেক, হঠাৎ বাঁক, আর গর্ত এড়িয়ে যাওয়ার মধ্যেই আসল ড্রাইভিং স্কিল লুকিয়ে আছে।”
এদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খবর আসছে, বহু গর্তে নাকি ইতিমধ্যেই ‘ঐতিহ্যবাহী সম্পদ’ লেখা বোর্ড বসানোর প্রস্তাব গিয়েছে। কারণ, স্থানীয়দের মতে, “রাস্তা বদলাতে পারে, সরকার বদলাতে পারে, কিন্তু এই গর্তগুলোই এলাকার আসল পরিচয়।”
এক গাড়িচালক ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন,
“প্রতিদিন অফিস যাওয়ার পথে এতবার গর্ত এড়াই যে এখন জিমে যাওয়ার দরকার পড়ে না। স্টিয়ারিং ঘোরাতেই হাতের ব্যায়াম হয়ে যায়।”
অন্যদিকে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য নাকি নতুন সচেতনতামূলক বার্তাও জারি হয়েছে –
“হেলমেট পরুন, ধীরে চলুন, আর রাস্তা দেখে নয়… ভাগ্য দেখে এগোন।”
সূত্রের খবর, আগামী বছর থেকে পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ উপলক্ষে “বর্ষসেরা গর্ত”, “সেরা ঝাঁকুনি প্রদানকারী রাস্তা” এবং “সাসপেনশন পরীক্ষায় বিশেষ অবদান” বিভাগে পুরস্কার দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে।
এদিকে সাসপেনশন, শক অ্যাবজরবার ও চাকা নির্মাতা সংস্থাগুলি যৌথভাবে নাকি নতুন সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছে,
“পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ আমাদের ব্যবসার নিরাপত্তাও নিশ্চিত করছে।”
দাবিত্যাগ: এই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ ব্যঙ্গাত্মক ও কাল্পনিক। বাস্তব ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ঘটনার সঙ্গে এর কোনও বাস্তব সম্পর্ক নেই। এটি শুধুমাত্র হাস্যরস ও সামাজিক বিদ্রূপের উদ্দেশ্যে রচিত।